Thursday 9 December 2021
- Advertisement -
HomeViewsArticleসি পি এম-তৃণমূলে তফাৎ কি?

সি পি এম-তৃণমূলে তফাৎ কি?

[Translation in English follows the text in Bengali]

ভারতবর্ষের রাজনীতিতে যে সততার ভাবমূর্তি চিরস্থায়ী হতে পারেনা তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরেকবার প্রমাণ করলেন — নারদ নিউজের স্টিং অপারেশানে প্রকাশিত হওয়া ভিডিওর মাধ্যমে। হাওয়াই চটি ও নীল-পাড় সাদা শাড়ীর পরিণতি শেষ অব্দি এই রকম কিছু ভিডিওতেই শেষ হয়। এর আগে সারদা মামলায় মমতার ভাবমূর্তি অনেকখানি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারী সংস্থাগুলির নিস্ক্রিয়তার দরুন তিনি অনেকাংশে যে চক্রব্যূহ থেকে বেড়িয়ে এসেছিলেন, নারদ নিউজের স্টিং অপারেশানের ভিডিও তাকে অনেকটাই আবার একই জায়গায় ফিরিয়ে দিল।হয়ত এইসব ক্ষেত্রে এখনও সরাসরি তার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল ওঠেনি, কিন্তু এইসব ঘটনার দায়ভার তিনি নিজের ওপর থেকে সরিয়েও দিতে পারছেননা। অপরদিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার নিস্তব্ধতা ও নিষ্ক্রিয়তা জনমানসে তার সম্পর্কে অনেক প্রশ্নের উদ্রেকও ঘটাচ্ছে।

মমতার নিজের বা তাঁর ইমেজের উপরে ভর করে চলা স্টিং অপারেশানে ছবি উঠে আসা বিভিন্ন নেতার হয়ত ভোটে জিততে সমস্যা হবেনা, কিন্তু একথাও মনে রাখতে হবে যে ২০১১-র ভোট যেমন ছিল বাংলার মানুষের সিপিএম বিরোধীতার ভোট, ২০১৬-র ভোট ঠিক তেমনিই মমতার নিজের জনপ্রিয়তা পরীক্ষার ভোট। এই পরিস্থিতিতে নারদ নিউজের ভিডিও মমতাকে সেই পরীক্ষায় অনেকটাই পিছিয়ে দিল। মনে রাখতে হবে যে প্রতিটা বুলেট হয়ত মৃত্যুর কারণ হয়না, কিন্তু প্রতিটা বুলেটই একটু-একটু ক্ষত তৈরি করে। কোন বুলেট হয়ত নিঃশব্দ ঘাতক হয়ে যেতে পারে সবার অজান্তেই। এক্ষেত্রেও যদি আগামী বিধানসভা ভোটে বাম-কংগ্রেস জোটের যদি শক্তিবৃদ্ধি ঘটে তাহলে তা ভবিষ্যতে মমতার মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। ইতিমধ্যেই অনুব্রত মন্ডল, আরাবুল ইসলামদের কারণে সাধারন মানুষ তৃণমূলের সাথে সিপিএমের মিল খুজে পেতে শুরু করেছে। কিছু-কিছু ক্ষেত্রে তাদের অত্যাচার বা দাদাগিরি সিপিএমকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

স্টিং অপারেশানের ভিডিও যে জনমানসে কিরকম প্রভাব ফেলতে পারে তা একটি ঘটনা থেকেই প্রমাণ হয়ে যায়। দু’দিন আগে আমার এক বন্ধু মফস্বলে একটি তৃণমূল-প্রভাবিত অঞ্চলে অটোরিকশায় চেপে তার গন্তব্যস্থানে যাচ্ছিলেন। গন্তব্যস্থলে পৌঁছানর পর এক যাত্রী খুচরো না থাকায় ভাড়া দিতে সমস্যায় পড়েন। তাঁর কাছে শুধুমাত্র ৫০০ টাকার একটি নোট ছিল। এই পরিস্থিতিতে রসিক অটোচালক ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করেন, “দাদা কি তৃণমূলের নাকি? ৫০০ বা ১,০০০ ছাড়া আর কিছু রাখেননা”। এই কথাটি সূচক যে মানুষ ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতিকে একমাত্র মাপকাঠি না ধরলেও তাদের মনে এই ঘটনাগুলি গভীরভাবে রেখাপাত করে। প্রসঙ্গত স্টিং অপারেশানের ভিডিওতে দেখা গেছে কিছু তৃণমূল নেতা কিভাবে ঘুষের টাকা ৫০০ বা ১০০০-এর নোটে চাইছেন। সেই প্রসঙ্গেই অটোচালক এই কথাটির উল্লেখ করেছেন। আর যদি ভোটের হাওয়া বুঝতে হয় তাহলে এই অটোচালক, ট্যাক্সি চালকরা একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র।

ভারতবর্ষের রাজনীতিতে স্বাধীনতার পর থেকেই রাজনৈতিক নেতাদের সাথে আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত, পশ্চিম বাংলাও তাঁর বাইরে নয়। অতীতের ভেরনা বা সঞ্চয়িতা থেকে শুরু করে বর্তমানের সারদা কেলেঙ্কারি সেকথারই প্রমাণ দেয়। জ্যোতি বসুর আমলে যেমন শ্রবণ তোদী সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় সব আইনকে পাশ কাটিয়ে তাঁর আমরি হাসপাতাল খুলেছিলেন, যা পরে চিকিৎসাধীন রোগীদের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। তেমনি সুদীপ্ত সেন বা কোন নামী চলচ্চিত্র প্রযোজক মুখ্যমন্ত্রীর সাথে তাদের ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে দিনের পর দিন নিয়ম ভেঙ্গে গেছেন বা যাচ্ছেন।

এখনও এইসব ঘটনার দরুন মমতার ভাবমূর্তি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও তা তাকে অভিমুন্যতে পরিণত করতেই পারে অচিরে। মমতার বর্তমান অবস্থা অনেকটা অভিমুন্যুর মতোই। তিনি যদি এই চক্রব্যূহ থেকে বেড়িয়ে আসতে না পারেন তাহলে হয়ত ২০১৬র ভোট কিছুটা ধাক্কা দিয়ে গেলেও ২০১৯ বা ২০২১ হয়ত তাঁর জন্য অন্য বার্তা নিয়ে আসতে পারে। বাংলার মানুষতো দেখেইছে বুদ্ধদেববাবুর সেই দম্ভভরা “আমরা ২৩০, ওরা ৩০” এর উক্তির দাম তাকে পাঁচ বছরের মধ্যেই কিভাবে চোকাতে হয়েছে। আর এবারের পশ্চিমবঙ্গর ভোটতো সবদিক থেকেই অভূতপূর্ব — যেখানে আদর্শের দিক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুতে দাঁড়িয়ে থাকা দু’টি দল একসাথে ভোট লড়ছে। সিপিএম এবং কংগ্রেস দু’টি দলই বর্তমানে ক্ষয়িষ্ণু হলেও তাদের একটি নিজস্ব ভোট-ব্যাংক আছে যার সাথে আছে বিজেপির প্রতি জনগণের চোরা সমর্থন। এই তিনটি কারণ মিলে তৃণমূলের বেশ কিছু নেতার জন্য বিড়ম্বনা ডেকে আনতেই পারে। পশ্চিম বাংলার রাজনীতিতে এই বিড়ম্বনার হাত থেকে বাঁচার জন্য নেতাদের বড় সহায় স্থানীয় গুন্ডাবাহিনী, কিন্তু এবারে নির্বাচন কমিশনের তীক্ষ্ণ নজর কিন্তু বহু নেতাকে মুশকিলে ফেলতেই পারে।

এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বড় পরীক্ষা কিভাবে তিনি এই পরিস্থিতি সামাল দেন। অতীতে সিপিএম একই দোষে দুষ্ট হলেও মধ্য-90 পর্যন্ত মিডিয়ার এই প্রভাব না থাকার কারণে ও স্টিং অপারেশানের প্রচলন না থাকায় সিপিএমের অনেক কুকীর্তি সামনে আসেনি। যে কারণে মানুষ মরিচঝাপী জানতে না পারলেও নন্দীগ্রাম জানতে পেরেছে এবং অনেকাংশে চাক্ষুষও করতে পেরেছে। ঠিক তেমনি নন্দীগ্রাম ও সিঙ্গুর মমতার সরকারের উন্নয়নের ব্যর্থতা প্রকট করছে।

মমতার ক্ষেত্রে আরেকটি বড় সমস্যা হল ইতিহাস এক্ষেত্রে তাকে তাড়া করছে। একসময় ঘুষকাণ্ডের প্রতিবাদে রেলমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন যিনি, তাঁর নিরবতা আজ জনমানসে নিঃশব্দে তাকে বড়সড় প্রশ্নের মুখে ফেলে দিচ্ছে। এখন মমতাকেই ভাবতে হবে তিনি কোনদিকে যেতে চান। তিনি কি আরেকজন চন্দন বসু তৈরি করতে চান নাকি তিনি এইসব স্বার্থের ওপরে উঠে নিজেকে “মা-মাটি-মানুষের” নেত্রী হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবেন।

তাঁর ক্ষেত্রে সমস্যা হল তিনি এমন কিছু মানুষের ওপরে অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন যারা তাঁর নাম ব্যবহার করে শুধুমাত্র আলাপ পরিচয় করার জন্য বা ভবিষ্যতে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোন ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর থেকে লাখ-লাখ টাকা নিতে পিছপা হননা। এখন মমতাকে নিজেকেই স্থির করতে হবে যে তিনি এদের প্রতি অকারণ নির্ভর করবেন নাকি যে লড়াই তাকে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসিয়েছে সেই পুরনো নিজেকে তিনি ফিরিয়ে আনবেন। যেখানে ধর্ষিতার প্রতি তিনি সহমর্মিতা দেখাবেন, অকারণ তার চরিত্র নিয়ে টানাটানি করবেননা।

বাংলার মানুষ মমতাকে দুর্গা হিসাবে দেখতে চায় যার হাতে বামপন্থা নামক অসুরের বিনাশ হবে। বাংলার মানুষ সেই মমতাকে চায়না যিনি সিপিএম দ্বারা চালু করা রোগগুলির নীরোগীকরণের বন্দোবস্ত না করে সেগুলিকে আরও বাড়তে দেবেন। বাংলার মানুষ অতিবাম মমতাকে চায়না, তারা তেলেভাজা চায়ের সাথেই খেতে চায় তাকেই রুজিরোজগারের একমাত্র পথ হিসাবে নয়। এখন মমতা নিজেই ঠিক করুন তিনি আরও বুলেটের আঘাত তার ওপরে নির্ভরশীল কিছু মামুলি নেতার জন্য সহ্য করে যাবেন নাকি এই চক্রবুহ্য তিনি ছিন্নভিন্ন করে দেবেন।


No Difference Between CPM & Trinamool

[dropcap]I[/dropcap]n the Indian political scenario, the honest image of a political leader is not everlasting; it has been proved by Mamata Banerjee once again when the videos of a sting operation surfaced last week. It seems that the honesty manifest in hawai chappals and a cotton sari meeting has run its normal course. Earlier, the West Bengal Chief Minister’s image got dented heavily with Saradha and other chit fund scams in 2014. Though she could repair her image to an extent due to inaction of different central government agencies, with the new sting operation video showing her party leaders taking lakhs of rupees as return gifts for meeting and assuring some businessmen, the question about her honesty has arisen again. Maybe the allegation is not against her directly, but she cannot wash her hands off this incident.  On the other hand, her silence and inaction is creating doubts about her intention in people’s minds. All the 12 leaders of her party seen in the video are very close to her and there are the likes of Madan Mitra who get election tickets from her even after spending almost 2 years in jail. Altogether, these reasons are forcing the Bengal electorate to see Mamata in the same light in which they used to see the CPI(M) leaders of Bengal.

The videos of the string operation may not affect the election result for Mamata or the TMC party leaders caught on camera. At the same time, we need to keep in mind that if 2011 was an anti-CPM election, 2016 is to check if Mamata still enjoys the same popularity that she used to in 2011. In this situation, the sting operation by Narada News has left a dent in Mamata’s image. Every bullet does not kill, but some may create a wound that may lead to death. Some later prove silent killers. If the alliance of the Congress and CPM makes a mark, in future it may create a bigger problem for Mamata Banerjee. Her continued blessings on the ilk of Arabul and Anubrata Mondal are adding fuel to the fire. Already, people have started finding similarities with the CPM rule; in some cases, they have begun to reckon that the CPM was better than the TMC.

An example to demonstrate how such incidents create a long-term impact in people’s minds will suffice. One of my friends, who lives in a small town of West Bengal, was taking an auto rickshaw ride. After reaching his destination, a fellow-passenger had some difficulty paying the fare as he did not have small change. He was carrying just a note worth Rs 500. The auto rickshaw driver quipped whether the passenger belonged to the TMC whose leaders carry currency notes only in denominations of Rs 500 and Rs 1,000! In the sting video, a national leader of the TMC was seen asking for cash only in these denominations. In India, people of the economic stratum that the auto rickshaw driver belongs to are the most reliable indicators of election outcomes.

Since the time of Independence, politics and corruption have almost been synonymous; politicians of Bengal have not been an exception to the case. In the past, there were chit fund frauds like Verona and Sanchoyita; now there are Saradha and MPS. Déjà vu! At the time of Jyoti Basu, there were businessmen like Shraban Todi who could open a hospital without complying with law, which later caused deaths of patients admitted in the hospital. There are now Sudipta Sen and some film producer who will break the rule for their proximity to Mamata Banerjee.

The people of Bengal are likening Mamata Banerjee to Abhimanyu from the Mahabharata — unable to emerge from the enemy’s battle formation as Mamata is unable to break the nexus between her party apparatchiki and cronies. In some cases, she is found shielding the guilty.  If she cannot emerge from this nexus, she may still not feel the heat in the 2016 Assembly election, but it may pose a bigger threat to her in 2019 or 2021. Bengal had seen the arrogance of her predecessor Buddhadeb Bhattacharjee when he said “we are 230 and they are only 30” in a bid to reject the valid of the then opposition for reviewing the land policy for Singur or Nandigram. The local people have seen how he paid the price for haughtiness within 5 years.

This election in Bengal is unique in many ways, where two parties of completely different ideologies are fighting the election together. Though the CPI(M) and Congress have rapidly lost their popularity over the past decades, they have been able to hold on to a percentage of their vote-bank. Furthermore, there is an undercurrent for BJP. These reasons can embarrass some TMC leaders. In West Bengal, generally in these situations leaders use muscle power to avoid embarrassment, but this time an active Election Commission also may cause harm for them.

Now the biggest test for Mamata is how she handles such a situation. In the past, the CPM was guilty of similar wrongdoings; since the media was not so impactful, they could got away with their misdeeds. That is the reason people did not know about Marichjhapi where thousands of Bangladeshi Hindu refugees were murdered, but they witnessed the incidents of Nandigram and Singur. In the same way, the misdoings of Mamata’s party leaders are coming to the fore, making the electorate lose confidence in the TMC government.

Another problem for Mamata is that history is now chasing her. She who had once resigned from the central Cabinet protesting a case of bribery is now silent on the acts of corruption of her own party colleagues. Mamata must decide her way: to make another Chandan Basu or to rise above petty politics and re-establish her status as a people’s leader. The main problem with Mamata is that she has turned too dependent on some party members who are exploiting her name for their personal benefits in the manner one saw them taking bribes of Rs 5 lakh to Rs 20 lakh just to be introduced to some businessman!

Mamata must decide whether she will keep depending on these types or she will meet the expectation of the people who elected her as the of Bengal. The people of Bengal want to see the old Mamata who stood by rape victims during the CPM rule without questioning their character. The people want the Mamata who proves herself a destroyer of communists of Bengal, not the ultra left Mamata who is continuing with the legacy of communists in Bengal. While Bengalis love their telebhaja (fried snacks) with tea; they do not want to make telebhaja their livelihood. Mamata needs to decide whether she will continue to let hit by small-time leaders of the TMC or she will bring a veritable end to the rampant corruption in the State.

135 views
Diptasya Jash
Techie hailing from Bengal, working in Kolkata

Sirf News needs to recruit journalists in large numbers to increase the volume of its reports and articles to at least 100 a day, which will make us mainstream, which is necessary to challenge the anti-India discourse by established media houses. Besides there are monthly liabilities like the subscription fees of news agencies, the cost of a dedicated server, office maintenance, marketing expenses, etc. Donation is our only source of income. Please serve the cause of the nation by donating generously.

Support pro-India journalism by donating

via UPI to surajit.dasgupta@icici or

via PayTM to 9650444033@paytm

via Phone Pe to 9650444033@ibl

via Google Pay to dasgupta.surajit@okicici

#ShivSena Could Even Join UPA, Party's Sanjay Raut Hints In NDTV Interview

Read more: https://www.ndtv.com/india-news/told-rahul-gandhi-make-upa-active-senas-sanjay-raut-to-ndtv-2642881

Centre revises Guidelines for procurement, allocation, distribution and disposal of coarse grains

Distribution period of Jowar and Ragi is increased to 6 & 7 months respectively from the earlier period of 3 months

Details: https://pib.gov.in/PressReleseDetailm.aspx?PRID=1779711

@fooddeptgoi @AgriGoI

#NewDelhi: The Centre asked the states and Union Territories to maintain adequate buffer stock of the eight critical drugs identified for treatment of new #Covid19 variant #Omicron.

Read further:
Diptasya Jash
Techie hailing from Bengal, working in Kolkata

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

- Advertisment -

Now

Columns

[prisna-google-website-translator]
%d bloggers like this: