Monday 25 October 2021
- Advertisement -
ViewsArticleআম্ফানের আঘাতে চূর্ণ মমতার আস্ফালন

আম্ফানের আঘাতে চূর্ণ মমতার আস্ফালন

বিদ্যুৎ সমস্যা, পানীয় জলের সমস্যা, ভাঙা রাস্তা, ভাঙা ঘরবাড়ি, বহু জায়গায় গাছ পড়ে রাস্তা আটকে থেকে দক্ষিণবঙ্গের প্রচুর এলাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত করে তুলেছে

-

- Advertisment -
Sagnik Chakraborty
A writer, editor, translator and teacher of languages based in Hyderabad, he serves this portal as a contributing editor

নটরাজের তাণ্ডব চলছে। আমরা আপাতত সুরক্ষিত, কিন্তু এই… এই এক্ষুণি পাশের বাড়ির টিনের শেড পিলার সহ উপড়ে দিলো।
— গাছের ডালপালা উড়ে এসে আমাদের খোলা বারান্দা ঢাকাচাপা দিয়ে দিয়েছে। ভাগ্যিস সবাই ঘরের মধ্যে ছিলাম।
— তিনতলাতেও রেহাই নেই। জল ঢুকে থৈ থৈ করছে। আলো-পাখা নিভিয়ে দিয়েছিলাম, এখন এমনিই কারেন্ট চলে গেলো।
— ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। বিদ্যুৎ নেই, মোবাইল নেটওয়ার্কও থাকছে না।
— ভগবান জানেন কত গতিতে ঝড় বইছে। আজ রাত্রিটা কাটলে হয়।

এমন অজস্র বার্তা এসেছে দক্ষিণবঙ্গের নানা এলাকা থেকে। আর্থসামাজিক স্তর নির্বিশেষে ভয়ার্ত মানুষের আর্তনাদ শোনা গেছে সেদিন বিকেল থেকে। আবার অনেক ক্ষেত্রেই বন্ধ হয়ে যাওয়া পরিষেবা সেই আর্তনাদকে ডুবিয়ে দিয়েছে। নিঃসন্দেহে দরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ হয়েছে সবচেয়ে বেশি, কিন্তু প্রকৃতির মত্ত রূপ থেকে রেহাই পায়নি সমাজের কোনো স্তরের মানুষ। দ্বিতীয় হুগলি সেতুর অনতিদূরে রাজ্যের সচিবালয় নবান্ন পর্যন্ত আম্ফানের আস্ফালনে থরথর কেঁপেছে, ভেঙে পড়েছে তার উঁচুতলার জানলার শার্শির কাঁচ, অজস্র দম্ভ ও আস্ফালনের মতোই।

পশ্চিমবঙ্গ তছনছ, দক্ষিণবঙ্গের বিস্তৃত এলাকায় সবুজের শ্মশান। ভেঙে পড়ে থাকা উঁচু উঁচু গাছগুলি যেন কোন অজানা দক্ষযজ্ঞের ছড়িয়ে থাকা সমিধ। আম্ফান শব্দের অর্থ থাই ভাষায় ‘আকাশ’; কিন্তু উদার আকাশের এমন ভয়ঙ্কর রূপ হয়?

কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে আজ দুই মাসের অধিক সময় ধরে দেশজুড়ে লকডাউন চলছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এর মধ্যে দেশের সমস্ত তদারকি করেছেন রাজধানীতে বসেই। কিন্তু রুদ্ররূপের ভয়ঙ্কর এই পরিণতি মোদীকে শেষমেশ ৭ লোককল্যাণ মার্গ থেকে পশ্চিমবঙ্গে উড়িয়ে এনেছে। অভাবনীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগের অকল্পনীয় এই পরিণাম তিনি নিজে চাক্ষুস করবার সঙ্গে সঙ্গেই কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে রাজ্যের জন্য। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেখে অভিভূত মোদী দিল্লি ফেরার আগে ভবিষ্যতে আরো সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী নিজের কাজ করলেন। ঊড়িষ্যার জন্যেও বরাদ্দ করেছেন ৫০০ কোটি। মনে পরে, গত বছরে ঠিক এই সময় ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ ঊড়িষ্যা এবং পশ্চিমবঙ্গ উভয়ের উপর তার ফণা বিস্তার করবার পরেও দিল্লীর থেকে কেন্দ্রীয় সাহায্যের প্রস্তাব এসেছিলো। ভাগ্যক্রমে আম্ফানের প্রলয়ের তুলনায় ফণীর বিষে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষতি হয়েছিল অনেক কম। ঊড়িষ্যাতে বেশ কিছু লোক মারা গেলেও বঙ্গদেশে প্রাণহানি প্রায় হয়নিই বলতে গেলে গতবার। সেই সাহায্যের প্রস্তাবকে অবজ্ঞা সহকারে অবহেলা করাটা তাই তখন সম্ভব ছিল।

আম্ফানের আঘাতে চূর্ণ মমতার আস্ফালন (1)

এবারে দুর্ভাগ্য যেন কড়ায়-গণ্ডায় হিসেবে বুঝে নিলো। রাজ্যের শাসকরা বলেছেন, গোটা জীবনে এমন মহাবিপর্যয় দেখেননি। কথাটা সত্যি। আমরা কেউই প্রায় দেখিনি। এবারে সেই চরম দুর্ভাগ্যের জন্য কেন্দ্রীয় সাহায্য চাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইতিবাচক উত্তর এসেছে। প্রায় দুই মাস পরে রাজধানী থেকে বেরিয়ে প্রথম এই সুজলা সুফলা বঙ্গভূমিতেই এলেন নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী।

প্রকৃতির রুদ্ররোষে আজ বঙ্গমায়ের সেই অনিন্দ্যসুন্দর সবুজ কান্তি নেই। আছে সবুজের শ্মশান, মানুষের হাহাকার। মৃতের সংখ্যা ৭২ থেকে বেড়ে প্রায় ১০০ ছুঁই ছুঁই। অসংখ্য হয় অর্ধমৃত, নয়তো সর্বস্ব হারিয়ে জীবন্মৃত। বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে সাইক্লোন একরকম বাৎসরিক ঘটনা। সময় থাকতে ভালোরকম প্রস্তুতি নেওয়া থাকলে ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো না যাক, কমানো সম্ভব। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা, যেমন পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগণা, হাওড়া, হুগলি ইত্যাদিতে, বিশেষত উপকূলবর্তী জায়গাগুলিতে বিগত এক বছরে সেই যথেষ্ট প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল কি? ২০০৯ সালের সাইক্লোন আয়লাতে ৪৫ জন মারা গেছিলেন, তার মধ্যে কলকাতাতেই ১৮ জন। অন্তত এক লক্ষ মানুষ গৃহহারা হন। শুধু পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের এলাকাগুলি দেখে হিসেব করলে জানা যাবে, আয়লার ক্ষতি এখনো পুরোপুরি চুকোনো যায়নি। মৎস্যজীবী, চাষী, সাধারণ মজুর, শ্রমিকের মতো সাধারণ মানুষ এখনো আয়লাকে ভোলেনি।

আম্ফানের ধ্বংসাত্মক তেজ আয়লার চাইতেও অধিকতর, ফণীর চাইতে অনেকগুণ বেশি তো বটেই। কিন্তু সঠিক প্রস্তুতি দ্বারা ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব, এ কথা বিশেষজ্ঞরা যেমন বলেন, আয়লাতে সর্বস্ব হারানো চাষী বা জেলেরাও তা অস্বীকার করবে না। প্রশ্ন উঠেছে অনেক মহলে: গত ১১ বছরে তাহলে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি কি নেওয়া হলো? নাকি আমাদের সম্বল শুধুই গত বছরের মতো মাঝে মাঝে বেশ “ফণীর উপর বিজয়ডঙ্কা” শুনতে পাওয়া? এর অতিরিক্ত অতীত থেকে কোনো শিক্ষা নেওয়ার বা আত্মসমালোচনা করবার প্রয়োজন হয়তো আমাদের নেই। একরাশ দম্ভ ও আস্ফালনই যথেষ্ট।

অতীত না হয় তোলা থাক, সাইক্লোনের পরবর্তীতে আমরা বর্তমানে কি দেখতে পাচ্ছি? আসুন, একটু উপর থেকে নীচের স্তর পর্যন্ত লক্ষ্য করা যাক। কাকদ্বীপ, সুন্দরবন, নামখানা, সাগর, ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং, ইত্যাদির মতো উপকূলবর্তী এলাকা হোক বা বজবজ, মহেশতলা, বারুইপুর, সোনারপুরের মতো কলকাতার পার্শ্ববর্তী এলাকা — বিদ্যুৎ সমস্যা, পানীয় জলের সমস্যা, ভাঙা রাস্তা, ভাঙা ঘরবাড়ি, বহু জায়গায় গাছ পড়ে রাস্তা আটকে থেকে দক্ষিণবঙ্গের প্রচুর এলাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত করে তুলেছে। খোদ কলকাতাতেই মানুষ নাজেহাল, বিদ্যুৎ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা তো বটেই, প্রতি মুহূর্তে আরো হাজারখানা সমস্যার সম্মুখীন সাধারণ মানুষ। বর্তমানের দুর্যোগ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে কলকাতায় বিদ্যুৎ দেওয়ার দায়িত্বে থাকা CESC যদি ডাহা ফেল হয়, রাজ্য সরকারের স্টেট্ ইলেক্ট্রিসিটি বোর্ড একরকম শূন্য নম্বর পাওয়া ছাত্র।

এতো বড় বিপর্যয়ের পরে মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ আপাতত দানা বাঁধছে। এই অবস্থায় প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়ায় কোনোরকম দম্ভ বা উদাসীনতার ছাপ মানুষের জমে থাকা ক্ষোভে অগ্নিসংযোগ করতে পারে। প্রশাসনিক দক্ষতার সাথে সাথে সরকারের মানবিক মুখের প্রয়োজন এখানে তাই সর্বপ্রধান। “CPM-র আমলেই CESC-কে পাওয়ারটা দিয়েছিল, আমাদের সরকার করেনি!” এই অবস্থায় তাই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের মুখে এমন মন্তব্য বড় কানে বাজে। একইভাবে ক্ষমতার সিঁড়ি বেয়ে একটু নীচে নেমে মহেশতলার মিউনিসিপ্যালিটির বাটানগর এলাকায় যখন সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েতের কর্তাদের সাথে দেখা করতে গিয়ে শুনতে পায়, “দু’মাসের আগে বিদ্যুৎ আসবে না। কিছু করার নেই। অভ্যাস করুন, নয়তো যা ইচ্ছে করুন,” তখন তা কানে একইরকম বেতালা সঙ্গত করে।

আম্ফানের আঘাতে চূর্ণ মমতার আস্ফালন (2)

কোনো মহাদুর্যোগের সময় রাজনৈতিক রুটি সেঁকা অবশ্যই অভিপ্রেত নয়। “আপাতত সকলে মিলে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে, রাজনীতি করার সময় নয় এটা,” মুখ্যমন্ত্রীর এরকম বক্তব্য তাই অবশ্যই প্রশংসনীয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ বাস্তবে চোখে পড়ছে অন্য চিত্র। এই কথাটি কিন্তু কোনো রাজনৈতিক বিরোধীকে নয়, বরং সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা গেছে; সেইসব মানুষদের উদ্দেশ্যে যাঁরা তাঁদের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজের জন্য বিদ্যুতের সরবরাহ চাইতে এবং কাটা গাছ সরাবার জন্য প্রশাসনের সাহায্য চাইতে গেছেন। যে মাপকাঠিতে নিজের জীবনধারণের জন্য সরকারকে তার কাজ করতে বলতে যাওয়া ‘রাজনীতি করা’র পর্যায়ে পৌঁছে যায়, সেই একই মাপকাঠিতে হয়তো ফণী-র আমলে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে না চাওয়াটা বোধহয় রাষ্ট্রনায়কোচিত! “প্রধানমন্ত্রী বলে মানি না! পরের প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলবো!” একজন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এই আস্ফালন মানুষ আজও ভোলেনি।

এই অবস্থায় আরেকটি আঙ্গিক নিয়ে ভাবা খুব জরুরি হয়ে পড়ে। গ্রাম বাঙ্গালায় দুর্নীতি কোন স্তরে পৌঁছেছে সেটা আজ প্রবাদপ্রতিম। কুখ্যাত সিন্ডিকেট চক্রে তাঁর দলের লোকেরা জড়িত, এটা মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেও অনেকবার প্রকাশ পেয়েছে। সারদা-নারদ-রোজ ভ্যালি ইত্যাদি কোটি কোটি টাকার কেলেঙ্কারিতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে কারা জড়িয়ে, তা তদন্ত বলবে। কিন্তু এসব ঘটনায় অন্তত এটুকু প্রমাণিত যে দুর্নীতি রুখতে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চরম ব্যর্থ। এমন অবস্থায় ১,০০০ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় সাহায্য, এবং ভবিষ্যতে সাহায্য হিসেবে রাজ্যকে দেওয়া আরও ধনরাশি, তা সঠিকভাবে যোগ্য প্রাপকের হাতে পৌঁছবে তো?

করোনা-ভাইরাস মহামারীর ক্ষেত্রেও দেখা গেছে রেশন কেলেঙ্কারি, ব্যাপক হারে আলু-চাল-চুরি। প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে আঙ্গুল উঠেছে শাসকদলের বড়-মেজো-সেজো-ছোট সব স্তরের নেতানেত্রীর দিকে। পার্টির আধিকারিক, যিনি কোনো ভূমিকায় সরকারের সাথে জড়িত নন, তাঁর হাত দিয়ে রেশন বিলি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকার আর শাসক দল, এই দুইয়ের মধ্যে প্রভেদ অনেকদিন আগেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এছাড়া দেখা গেছে প্রায় প্রতিটা ক্ষেত্রে কেন্দ্র বনাম রাজ্য তরজা। এসব ভাবলে একটা সন্দেহ প্রবল হয়ে ওঠে: কেন্দ্রীয় সাহায্য সঠিকভাবে আর্ত মানুষের হাতে পৌঁছবে তো? হাজার কোটির কতটা পৌঁছবে?

এই অবস্থায় তাই একমাত্র উপায় DBT অথবা ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার। দেশের সরকার যদি সত্যিই বাঙ্গালার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে, এই দুঃসময়ে তাঁদের হাত ধরতে, তাঁদের সাহায্য করতে চান, তাহলে অর্থরাশি দুঃস্থ, আর্ত, পীড়িতদের একাউন্টে সোজা পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। এতেও অবশ্য স্থানীয় স্তরে দুর্নীতি হওয়ার সুযোগ সম্পূর্ণভাবে চলে যাচ্ছে না। গ্রামবাঙ্গালার বিস্তৃত অংশে শাসক দলের স্থানীয় আধিকারিকদের এতটাই প্রভাব এবং ক্ষমতা যে DBT সত্ত্বেও ভীতিপ্রদর্শন করে নিজেদের কাটমানি বা অংশটুকু তারা ক্ষেত্রবিশেষে আদায় করতে পারে। তবে ক্ষেত্রবিশেষেই। আম্ফান-পীড়িত গরীব আর্ত মানুষকে সোজা তার হাতে বা একাউন্টে টাকা পৌঁছে দিলে অন্তত সিংহভাগ ক্ষেত্রে এই রাজ্যব্যাপী দুর্নীতিকে কিস্তিমাৎ দেওয়া সম্ভবপর হবে।

আপাতত এটি করবার প্রয়োজন। ভবিষ্যতের প্রয়োজন অন্য। প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, কিন্তু ক্ষয়ক্ষতির হ্রাস করা সম্ভব। আবার বছর দশেক পরে কোনো সাইক্লোনজাতীয় প্রাকৃতিক খেয়াল কালভৈরবের রূপ নিয়ে যাতে এভাবে সোনার বঙ্গদেশকে ছারখার না করতে পারে, তার জন্য উপকূলবর্তী এলাকা এবং দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র পরিকাঠামো ঢেলে সাজানো দরকার। অবস্থার আমূল পরিবর্তন চাই। দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। কেন্দ্র-রাজ্য মিলে কাজ করে সাধারণ মানুষের চোখের জল মুছিয়ে মুখে হাসি ফোটাক, আপাতত এটাই কাম্য। আমরা চেষ্টা করতে থাকি। সবাই মিলে। বাকিটা সময় বলবে।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

News from India

Wankhede writes to Mumbai top cop seeking protection from legal action

Without naming Malik, Wankhede said a threat of jail and dismissal had been issued against him by 'highly respectable public functionaries'

China, infamous for incursions, says its territory is inviolable

India-China border disputes cover 3,488-km along the Line of Actual Control, China-Bhutan dispute covers about 400 km

Dabur uses Karwa Chauth in Fem ad to deliver lesbian message

The incensed Twitterati asked whether Dabur would dare use a Muslim occasion for woke messaging

Police in Jammu-Kashmir forced Pandits to accept own responsibility for security?

Divisional Commissioner PK Pole conceded the police had sent an undertaking to Pandit families but denied there was pressure to sign it
- Advertisement -

Rest of the world

Hindus in Bangladesh living in fear following mob attacks

Following Sheikh Hasina's warning to rioters, the violence spread farther in Bangladesh, pushing Hindus into an atmosphere of despondency

Man wanted for Cumilla unrest caught on CCTV camera

Cumilla City Corporation ward 17 Councilor Syed Sohel said that Iqbal used to stay near his office most of the time

Opinion

- Advertisement -

You might also likeRELATED
Recommended to you

[prisna-google-website-translator]